উড়ালপঙ্খী-Uralponkhi

  • Home
  • উড়ালপঙ্খী-Uralponkhi

উড়ালপঙ্খী-Uralponkhi travel with trust �

04/12/2024

অনেকদিন থেকে উড়ালপঙ্খী-Uralponkhi থেকে কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়না!
কিন্তু,আবারো শুরু করতে যাচ্ছি দেশের বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ👍
আগ্রহীরা কি বলেন?

https://www.facebook.com/share/p/GAGDsfDfyLAkHUSm/
24/10/2024

https://www.facebook.com/share/p/GAGDsfDfyLAkHUSm/

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়েছে সরকার। এখন থেকে ৩২ বছর বয়স পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে আবেদন করতে পারবেন প্রার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

উপদেষ্টা পরিষদ-বৈঠকে নিম্নরূপ আলোচনার মাধ্যমে ওই অধ্যাদেশটি অনুমোদন করা হয়েছে।

কসম কইরা বলতেছি যারা বঙ্গভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছে তাদের ৮০% মানুষই জানে না তারা কিসের আন্দোলন করতেছে!অনেকেই দেখলাম বুক...
22/10/2024

কসম কইরা বলতেছি যারা বঙ্গভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছে তাদের ৮০% মানুষই জানে না তারা কিসের আন্দোলন করতেছে!
অনেকেই দেখলাম বুকের শার্ট-গেঞ্জি ছিঁড়ে ফেলে বুক পেতে দিচ্ছে,অথচ একটা গুলিও কিন্তু চলেনি।
যারা আন্দোলন করতে গেছে স্রেফ নিজের পাবলিসিটির জন্য। তারা হাসনাত, নাহিদ,আসিফ, সারজিসের রাতারাতি নায়ক বনে যাওয়ার বিষয়টা মাথায় রেখে দেশের নায়ক হতে গেছে।
ওদিকে, চুপ্পু সাহেব চুপ করে ভিতরে বসে আছে, একটু পর নিজেই রিজাইন দিয়ে পাবনায় চলে গিয়ে আবার সাংবাদিকতা শুরু করবে। নো ওরিস😝

বুয়েট পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা...
18/09/2024

বুয়েট পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই।

ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে। তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলো, কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি।

এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু??

প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও।

দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।

ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই।

চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। "সফলতা মানেই সুখ" বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।

পুলিশের একজন এসপি-কে জানি, যিনি ভাগ্যের গেড়াকলে পড়ে; সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রীকে হারিয়েছেন, সংসার ও চাকুরি সব হারিয়ে, এখন ক্ষমতাহীন নিঃস্ব জীবন-যাপন করছেন। সফলতা তার জীবনে সুখ আনতে আনতে পারেনি।

একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলেন, "বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ। আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম?" সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু, একথা তার কাছে হাস্যকর।

এক পরিচিত বড় ভাই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হয়েও এখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এবং হোমিওপ্যাথিক কলেজের প্রভাষক।

একজন এম এ(ফার্স্ট ক্লাস ১৬তম)এলএল বি পাশ করে ওকালতি প্রাকটিস ও কলেজের প্রভাষক পদ ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক!

আসলে জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক'জন!!

সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার নসু পাগলাকে, সে এক বেলা পেট ভরে খেয়ে কি আয়েশী হাসিটাই না হেসেছিলো!! শুধু ভরা পেটেই যে সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী আর কেও নাই!! আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না। আমরা কখনো পরিপূর্ণভাবে সুখী হতে পারি না। বাস্তবতা বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না।

একটু সুখের জন্যে অনেক কিছুর দরকার নেই। চলুন, আমরা মনটাকে একটু ভালো করি, ক্ষমতা ও অর্থের দম্ভ থেকে সরে আসি, হিংসা, লোভ, স্বার্থপরতা ত্যাগ করি, সৃষ্টিকর্তার তরে নিজেকে সপে দিই; আর কাউকে না ঠকাই দেখবেন আপনার জীবন এমনিতেই সুখের হবে❤

17/09/2024

ইন্ডিয়া গতবছর আমাদের কাছে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিক্রি করেছে অপরদিকে মাত্র ২ বিলিয়ন কিনেছে। তারা যা কিনছে সেগুলোর অলটারনেটিভ কোন কান্ট্রি না থাকায় আমাদের থেকে নিচ্ছে এবং আরেক ধরণের পণ্য নিচ্ছে যেগুলোর গ্লোবাল মার্কেট ভ্যালু সম্পর্কে আমাদের আইডিয়া নেই, যেমন লাউভোলা মাছ, সাতক্ষীরা অঞ্চলে পাওয়া যায়, এই মাছের ফুলকা দিয়ে দামী প্রসাধনী তৈরি হয়। ইন্ডিয়ানরা এই মাছ বাংলাদেশ থেকে নিয়ে প্রসেস করে আমেরিকায় বিক্রি করছে, আবার কিছু মাছের পটকা, তেল, আইশ তারা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে প্রসেস করে বিভিন্ন দেশে বিক্রি করছে, কিছু মাছের চামড়া নিয়ে তারা ইকো লেদার তৈরি করে পুরো বিশ্বে বাজিমাত করছে। এতো শুধু মাছের কথা কথা বললাম, এছাড়াও ঠিক এভাবেই প্রত্যেকটা সেক্টরে ইন্ডিয়ানরা বাংলাদেশ থেকে সস্তায় সোর্স করছে।

আমরা ইন্ডিয়া থেকে যেসব পণ্য কিনছি সেগুলো প্রায় অর্ধেক মূল্যে আফ্রিকা থেকে ইমপোর্ট করা সম্ভব, শুধু সোর্স না জানার কারনে মাঝখানে ইন্ডিয়া বিজনেস করছে। তারমধ্যে কিছু কিছু পণ্য ইন্ডিয়ান ব্যাবসায়ীরা বিভিন্ন দেশ থেকে ইমপোর্ট করে আবার দ্বিগুণ মূল্যে আমাদের কাছে বিক্রি করছে।

দুঃখের বিষয় হলো আমাদের সম্পূর্ণ সক্ষমতা থাকা সত্বেও এই পণ্যগুলো ইন্ডিয়া সহ আশেপাশের দেশগুলো থেকে কিনছি। যেমন টমেটো সস, টমেটো পাওডার, নারিকেলের গুড়া, বিস্কুট, কলম, খাতা, পেনসিল, টুথপেষ্ট, সিমেন্ট, সাবান ইত্যাদি৷ এসব পণ্য বিলিয়ন ডলার ইমপোর্ট করার কোন লজিক নাই, এই লিস্টটা অনেক বড়ো যে লিখে শেষ করার মত না। এই প্রোডাক্টগুলো টেস্টেড না, অধিকাংশ খাবারেই হেভি মেটাল পাওয়া যায়, আর এক্সটার্নাল ব্যাবহারের পণ্যগুলোতে অধিক মাত্রায় ক্যামিকেল থাকছে তবে তাদের সব পণ্যতে না শুধু বাংলাদেশে যেগুলো পাঠাচ্ছে সেগুলোতেই, অন্যান্য দেশে যেগুলো পাঠাচ্ছে সেগুলো যথেষ্ট কোয়ালিটিফুল অথচ সেম ব্র্যান্ড।

আমাদের তরুণদের মাথায় ইমপোর্ট কেন্দ্রিক বিজনেস প্ল্যান গ্রো করানোর জন্য ইন্ডিয়া সহ আশেপাশের কিছু কান্ট্রি বড় রকমের ইনভেস্টমেন্ট করে যাচ্ছে রেগুলার ৷ কিছু ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট, ইনফ্লুয়েন্সার,ব্যাংক সহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে আর তরুণ উদ্যোক্তারা ঝাপিয়ে পড়ছে। অথচ তাদের দেশের তরুণদেরকে তারা এক্সপোর্ট কেন্দ্রিক প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং মার্কেটিংয়ে সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা সহ উৎসাহ দিচ্ছে।

আমাদের পলিসি মেকারদের এ বিষয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই, কারণ এ বিষয়ে কথা বললে তাদের কমিশন বন্ধ হয়ে যাবে।

২০২০ সালের পর থেকে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্লাসগুলোতে এই বিষয় নিয়েই কথা বলে যাচ্ছি, উদ্যোক্তাদের অনেক রেসপন্স পাচ্ছি, আমাদের দরকার লক্ষ লক্ষ ছোট ছোট উদ্যোক্তাদের লক্ষ লক্ষ প্রোডাক্ট, চাইনিজ উদ্যোক্তাদেরকে আমরা ফলো করতে পারি। চাইনিজ উদ্যোক্তা "জিউ" প্রতি বছর মূলার পাউডার গ্লোবালি সেল করছে বাংলা টাকায় প্রায় ৬ কোটি টাকা, অথচ আমরা কাজ করার মত পণ্য খুঁজে পাই না, গ্লোবাল মার্কেট ভ্যালু হিসেবে আমরা প্রতিবছর ৫ বিলিয়ন ডলারের মূলা নষ্ট করছি। আমরা দলে দলে চায়নাতে যাচ্ছি চায়না থেকে বাংলাদেশে এনে কি কি বিক্রি করা যায় এগুলো খোঁজার জন্য অথচ এটা শিখার জন্য যাওয়া উচিৎ ছিল যে কিভাবে চাইনিজরা তাদের পন্য গ্লোবালি সেল করছে।

আমাদের গ্লোবাল মার্কেটে সেল করার মত লক্ষ লক্ষ পণ্য রয়েছে, আমপাতা জামপাতা তেঁতুলের বিচি, কচুরিপানা, পুকুরের শেওলাসহ কয়েক লক্ষ পণ্য নিয়মিত নষ্ট হচ্ছে।

আমাদের গ্রামের বাচ্চারা কটকটি ওয়ালার কাছে তেঁতুলের বিচি, হাসের পাখা বিক্রি করে বিনিময়ে ২ টাকার আচার পেয়েই অনেক খুশি, সেগুলো ভাঙ্গরি ব্যাবসায়ীদের মাধ্যমে ঢাকায় এনে নামমাত্র মূল্যে আশেপাশের দেশগুলোতে বিক্রি করে কিছু রফতানি সাবসিডি পেয়ে আমরা মহাখুশি, এর পরে আর খোঁজ রাখি না অথবা আমাদেরকে রাখতে দেওয়া হয় না। তারা তেঁতুলের বিচি দিয়ে মেডিসিন, তেল সহ ১০-১২ রকমের পণ্যে এটি ব্যবহার করে গ্লোবালি সেল করছে এমনকি আামাদের দেশেও সেল করছে, হায়রে বোকা জাতি আমরা, এগুলো আমরা অনেক দামে কিনে ব্যাবহার করছি আবার গর্ব করে আশেপাশের মানুষদের সাথেও গল্প করছি, অথচ প্রত্যন্ত গ্রামের সেই বাচ্চাটির পরিবারের সারা বছরের ভরনপোষণ সেই ৫০০ গ্রাম তেতুলের বিচি দিয়েই করা সম্ভব হতো। তেঁতুলের বিচি মাত্র একটা পণ্য, ঠিক এরকম আরো লক্ষাধিক পণ্য ডেভেলপ করার সুযোগ রযেছে আমাদের গ্রামগুলোতে।

গোটা বিশ্ব যেখানে ইকো-ফ্রেন্ডলি প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত সেখানে আমরা শুধু উন্নত বিশ্বের বর্জন করা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে ব্যস্ত অথচ মাত্র ১০ টা এগ্রো প্রোডাক্টের আগা-গোড়া গ্লোবালি সেল করে গার্মেন্টেসের চেয়েও বেশি রফতানি আয় করা সম্ভব।

আমরা বিলিয়ন ডলারের টমেটো, কাঁঠাল নষ্ট করে আশেপাশের দেশগুলো থেকে মিলিয়ন ডলারের টমেটো সস, পাওডার, কাঁঠাল পাউডার থেকে তৈরি করা বিভিন্ন বেবি ফুড, কাঠালের আটা ইত্যাদি ইমপোর্ট করছি।

ঢাকার বড় বড় মাছের আড়তে ৩০-৪০% ইন্ডিয়া থেকে ইমপোর্টেড মাছ বিক্রি হচ্ছে, রুই, মৃগেল, কাতল, বোয়াল, আইড়, কাকিলা, কাচকি সহ প্রায় সব ধরণের ফরমালিন যুক্ত ইন্ডিয়ান মাছ ঢাকার বাজার গুলোতে ভরপুর কিন্তু কেন? আমরা তো ২০১৫ সাল থেকেই মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমাদের মাছ চাষিরা বছরের পর পর বছর লোকসানে আছে, গ্লোবাল মার্কেটে এই মাছগুলোর ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্বেও আমরা চাহিদামত বিক্রি করতে পারছি না, কারণ সেসব উন্নত দেশের টেস্টিং রিকুয়ারমেন্ট ফুলফিল করতে পারছি না, হেভি মেটাল সহ অনেক রকমের সমস্যা ধরা পড়ছে। তাদের পোর্টে গিয়ে কোন সমস্যা ধরা পরলে সেটা আবার আমাদের খরচেই ব্যাক নিয়ে আসতে হচ্ছে / সেখানে নষ্ট করে দিতে হচ্ছে অথচ আমাদের পোর্টগুলো কতইনা সস্তা, মাত্র ২-৪ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে হাজারো সমস্যাযুক্ত বিদেশি পণ্য আমাদের পোর্ট অফিসাররা দেশে ঢুকতে দিচ্ছে।

উন্নত বিশ্বের টেস্টিং রিকুয়ারমেন্ট ফিলাপ করার মত আমাদের গ্লোবাল মানের সরকারি কোন ল্যাব নেই, বিএসটিআই ও বিসিএসআইআরের টেস্ট ইউরোপ-আমেরিকা এক্সেপ্ট করে না, ছিড়ে ফেলে। তরুন উদ্যোক্তারা তো আর হাজার হাজার ডলার দিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে টেস্ট করাতে পারবে না, আর এসব সমস্যার কারণেই তরুণ উদ্যোক্তারা থেমে যাচ্ছে, নতুন নতুন ইনোভেটিভ পণ্য গ্লোবাল মার্কেটে বাংলাদেশ থেকে লিস্টেড হচ্ছে না।

নতুন উদ্যোক্তাদের পণ্যগুলো সম্পূর্ণ ফ্রিতে গ্লোবাল মানের টেস্টিংয়ের জন্য বিএসটিআই ও বিসিএসআইআর কে কবর দিয়ে আবার নতুন করে জন্ম দিয়ে "জেন জি"দের হাতে দায়িত্ব দিলে বাংলাদেশ এই অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে।

আমরা তরুণ উদ্যোক্তারা সবাই এই বিষয়গুলো নিয়ে সচেতন হলে আমাদের আমদানি ব্যায়ের তুলনায় রফতানি আয় বাড়বে এবং আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই নতুন নতুন ব্যাবসা দ্বারা বেকারত্ব দূরীকরণে এক আমূল-পরিবর্তন আসবে ইনশাআল্লাহ।

Collected..


Highlights Bangladesh

Covering the deadliest day of the protests in Bangladesh (35th July)চোখের সামনে যেসব ঘটনা ঘটছিল সেগুলো দেখে প্রথমে বিশ্ব...
07/09/2024

Covering the deadliest day of the protests in Bangladesh (35th July)

চোখের সামনে যেসব ঘটনা ঘটছিল সেগুলো দেখে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। শত শত পুলিশ কারওয়ান বাজার মোড়ে সোনারগাঁও হোটেলের সামনে থেকে বৃষ্টির মতো গুলি ছুড়ছিল বাংলা মোটর এলাকায় থাকা সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর।

আমার সেখানে থাকার সুযোগ হয়েছে। আমিও আন্দোলনকারীদের সাথে ছিলাম। সব প্রতক্ষ্যভাবে দেখেছি।

পুলিশের গুলি কানের আশেপাশে দিয়ে যাচ্ছে। আমার ঠিক ২০ গজ সামনে কিছু উৎসুক হাত্র বুক পেতে দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতি মিনিটে মিনিটে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তার উপর পরে যাচ্ছে সেইসব বীর ছাত্ররা।

কারও পায়ে এসে গুলি লাগছে, কারোও আবার গলায়, কারোও আবার পেট সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায়; প্রতি মিনিটে মিনিটে ৮-১০ জন করে গুলিবিদ্ধ হচ্ছে।

সেই আহতদেরকে দেখে আর সহ্য করা যাচ্ছিল না। সবাই পাগলের মতো আচরণ করতে শুরু করে দেয়। অনেকে পিছনের দিকে সড়ে আসতে শুরু করে।

এদিকে, পুলিশের গুলি, আর টিয়াসেলের গ্যাসে চোখ খুলতেও সমস্যা হচ্ছিল। আবার আহত ছাত্রদের (যারা বিভিন্ন জায়গায় গুলি খেয়েছে) চিকিৎসার জন্য পাঠানোটাও জরুরি। কিন্তু, রাস্তায় কোন গাড়ি নেই। আছে তো কেবল মাত্র দু একটা রিকশা। তারপরে অনেক কষ্টে কয়েকটি রিকশা জোগাড় করে ৮-১০ জন আহত ভাইবোনদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হলো।

এদিকে, পুলিশের নির্মম গুলিবর্ষণ চলছেই। পাশাপাশি কাদানো গ্যাস (টিয়ারসেল) ও হেন্ড গ্রেনেড ছুড়ছে নিয়মিত। আর এর প্রতিবাদে আমাদের মধ্যে থেকে ইট, খোয়া দিয়ে পুলিশের দিকে ছুড়তে থাকে। গুলির বিনিময়ে ইটের খোয়া। টিয়ারগ্যাস ধোয়ায় তখন আর সামনের দিকে বেশি একটা দেখতে পাচ্ছিলাম না। শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। তবুও, চোখে-মুখে পানি দিয়ে আবার শুরু হয় স্লোগান। স্লোগানের ২ মিনিটের মধ্যে আরোও কয়েক হাজার জনতা আশেপাশে থেকে আমাদের সাথে যোগ দেয়। আমরা সবাই লাঠি, গাছের ডাল বা ছোট কাঠের টুকরো নিয়ে বাংলামোটর এলাকাটা দখলে নেই।

এরপরই আরোও বিপুল পরিমাণ ছাত্র-জনতা বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে আমাদের সাথে যোগ দেয়।

এতে আমরা দ্বিগুণ হয়ে যাই। শক্তি সঞ্চয় করে আমরা এবার কয়েক হাজার ছাত্র একসাথে স্লোগান দিতে দিতে কারওয়ান বাজারের দিকে যেতে থাকি।

ওদিকে, পুলিশের গুলি শেষ হয়ে আসছিল। ফলে আমরা আগাতে থাকি আর পুলিশ বাহীনি পিছু হটতে শুরু করে। এতেই বুঝা যায় আমরা ভালোই খেলেছি রাস্তায়।

৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ সহ সকলেই পিছু হটতে শুরু করে ফার্মগেডের দিকে যায়। ফাইনালি; প্রায় ২ ঘন্টার চেষ্টা ও শ'খানেক ছাত্র-জনতা গুলি খেয়ে আহত হওয়ার পর আমরা পুরো কারওয়ান বাজার নিজেদের দখলে নিয়ে নেই।

NB: বিস্তারিত থাকছে পার্ট ২.....

অফ দ্যা টপিক:- আল জাজিরা তিন দিন আগে ইউটিউবয়ে একটা ২৫ মিনিটের ডকুমেন্টারি পাবলিশ করেছে। যেটার নাম তারা দিয়েছে- Covering the deadliest day of the protests in Bangladesh (35th July).

উল্লেখ্য : স্কিপযোগ্য: (ভিডিওটির ৭ থেকে ৯ মিনিটে প্রায় কয়েকবার আমাকে দেখতে পাইছি। আল-জাজিরার সাংবাদিক আমার ছবিও তুলেছে যেগুলো তারা পাবলিশ করেছে)। সেগুলো নাহয় একটা দুইটা দেয়া প্রয়োজন। নাহলে অনেকে ভাববে কল্পকাহীনি......

ফুল ভিডিওর লিংটা দিয়ে দিলামঃ https://www.youtube.com/watch?v=LqCkSrJeieU

30/08/2024

অভিনন্দন ভাই❤
আশা করি আপনার হাত ধরেই আবারো বাংলাদেশে আইনের শাসন ফিরে আসবে।
ভেদাভেদ ভুলে সকলেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে🥰

সত্যিই এখনকার তরুণদের মাঝে অসম্ভবকে সম্ভব করার যে একটা স্পৃহা, তা দেখে মুদ্ধ হই বারবার।
23/08/2024

সত্যিই এখনকার তরুণদের মাঝে অসম্ভবকে সম্ভব করার যে একটা স্পৃহা, তা দেখে মুদ্ধ হই বারবার।

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে ফেনী। এ জেলায় চার লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছে।

বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ডের পাশাপাশি বিজিবি, ফায়ারসার্ভিস, স্বেচ্ছাসেবীরাও কাজ করছেন।

তাদের সাথে উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিয়ে পানিতে ডুবে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার সাইফুল ইসলাম সাগর।

নিজে সাতাঁর না জানায় পানিতে পরে শহীদ হয় ভাইটি।

আরেকজনকে বাচাঁতে নিজের জীবনের পরোয়া না করা ভাইটির প্রতি অঘাত ভালোবাসা🥹

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৭ সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। ড.   মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে ও তার নেতৃত্বে গঠিত হলো  অন্ত...
08/08/2024

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৭ সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে ও তার নেতৃত্বে গঠিত হলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

কিছু সময় পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠন হতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুন গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের স....

07/04/2024

সারা বছরের কর্মব্যস্ততা শেষে ঈদে ঘরমুখো হয় ঢাকায় কর্মসূত্রে বসবাসকারী বৃহৎ জনগোষ্ঠী। এ সময় বাস, রেল, লঞ্চ প্রভৃত.....

পঞ্চগড়ের এই শীতকে খুব বেশি মিস করতেছি। ঢাকায় থাকলেও প্রতি বছর শীতে ২ ৩ দিনের জন্য হলেও পঞ্চগড় যাই। কিন্তু এবার আর যাওয়ার...
28/01/2024

পঞ্চগড়ের এই শীতকে খুব বেশি মিস করতেছি। ঢাকায় থাকলেও প্রতি বছর শীতে ২ ৩ দিনের জন্য হলেও পঞ্চগড় যাই। কিন্তু এবার আর যাওয়ার সময় হইলো না। মিস করছি হাড় কাঁপানো শীতকে!😰🥶

পঞ্চগড়ে ফের তাপমাত্রা নামল ৫ দশমিক ৫ সেলসিয়াসে। দেশের উত্তরের হিমাঞ্চলীয় সীমান্ত জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়.....

ইন্দোনেশিয়ার বালি প্রদেশের উবুদ এলাকার বানরের জঙ্গল থেকে তোলা হয়েছে ছবিটি। পুরোটা জায়গায় লম্বা লেজের ম্যাকাক বানরের রাজত...
25/12/2023

ইন্দোনেশিয়ার বালি প্রদেশের উবুদ এলাকার বানরের জঙ্গল থেকে তোলা হয়েছে ছবিটি। পুরোটা জায়গায় লম্বা লেজের ম্যাকাক বানরের রাজত্ব। রাজার ভঙ্গিতেই আধশোয়া এই বানরকে ক্যামেরায় বন্দী করেছেন ডেলফাইন ক্যাসিমির।

Try a little bit 😊
13/08/2023

Try a little bit 😊

ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা। ১০ মিনিটের বৃষ্টির পরিনাম এই। বর্ষাকালে অল্প বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় রাস্তাঘাট। ভোগান্তিতে প...

তারিখটা ৯ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাটোর সফর করেন। সে সফরে বঙ্গবন্ধু...
18/06/2023

তারিখটা ৯ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাটোর সফর করেন।
সে সফরে বঙ্গবন্ধু ভারত বর্ষের রাজার দ্বারা নির্মিত (পরবর্তীতে বাংলাদেশের সম্পদ) এই রাজপ্রাসাদে ঘুরতে আসেন।
এসেই আশেপাশের নানান রকম গাছ দেখেন। যেই গাছগুলো সচরাচর বাংলাদেশে পাওয়া যায় না। সেই রাজা পৃথীবির নানান দেশ থেকে সংগ্রহ করে তার প্রাসাদের বাগানে হরেক রকম গাছ লাগায়।
যার মধ্যে এখনো নাটোরের এই প্রাসাদে এমন কিছু গাছ আছে যেগুলো বাংলাদেশের আর কোথাও নেই।

যাই হোক মূল কথায় ফিরে আসি। বঙ্গবন্ধু বৃক্ষপ্রেমী ছিল সেটা খুব কম মানুষেরই অজানা। বঙ্গবন্ধু নানান দেশ থেকে সংগ্রহ করে নানান গাছ সেখানে দেখলেও হৈমন্তি গাছ তার চোখে পরেনি।

তাই তৎক্ষনাৎ সিদ্ধান্ত নেয় এখানে একটি হৈমন্তি গাছ লাগাবে। যেই ভাবা সেই কাজ। শুরু হয়ে গেল চারার খোঁজ। দীর্ঘ সময় পর একটি হৈমন্তির চারা পাওয়া যায়। বঙ্গবন্ধু নিজ হাতে এই জায়গায় গাছটি রোপন করে।

দীর্ঘ ৫১ বছর ধরে সগৌরবে গাছটি দাঁড়িয়ে আছে নাটরের এই জমিদার বাড়ির বাগানে। যদিও সময়ের সাথে সাথে গাছটি মারা যাচ্ছে। তবে, এটিকে বাচিয়ে রাখতে সরকার জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

আমার সৌভাগ্য হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে লাগানো হৈমন্তি গাছটি দেখার। সে সাথে চোখ বন্ধ করে উপলব্ধি করার চেষ্টা করেছি গাছটির জন্মের ইতিহাস। যদি গাছ কথা বলতে পারতো তাহলে হয়তো গৌরবের সাথে বলতো এই তুই কি জানিস আমার জন্ম হয়েছে এই দেশের মহানায়ক, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে। এখানে আমাকে প্রকৃতিকে বাচিয়ে রাখার দায়িত্ব দিয়ে গেছে। যেটি ৫১ বছর ধরে আমি পালন করে আসছি।

লম্বা ট্যুরের জন্য ভ্রমণে ইচ্ছুক আছে কে কে?
23/07/2022

লম্বা ট্যুরের জন্য ভ্রমণে ইচ্ছুক আছে কে কে?

07/02/2021

আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইনের কাজ শেষ করে ট্রেন চলাচলের উপযোগী ক.....

01/02/2021

Address


Telephone

8801841365780

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উড়ালপঙ্খী-Uralponkhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Address
  • Telephone
  • Alerts
  • Claim ownership or report listing
  • Want your business to be the top-listed Travel Agency?

Share