Jarif Overseas BD

Jarif  Overseas BD We are Processing Visa & Passport (RL-1972)

18/01/2025
14/01/2025

২০২৫-এর হেনলি পাসপোর্ট ইন্ডেক্স মতে, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ১৬টি দেশে এই ভিসা-নীতি অনুসরণ করা হবে। দেশগুলোর তালিকা নিম্নরূপ:

বলিভিয়া
বুরুন্ডি
কম্বোডিয়া
কেপ ভার্দে দ্বীপপুঞ্জ
কমোরো দ্বীপপুঞ্জ
জিবুতি
গিনি-বিসাউ
মালদ্বীপ
মৌরিতানিয়া
মোজাম্বিক
নেপাল
সামোয়া
সিয়েরা লিওন
সোমালিয়া
তিমুর-লেস্তে
টুভালু
আগের বছর এই সংখ্যাটি ছিল ১৮। এবার এই ক্যাটাগরি থেকে বাদ পড়েছে সেশেলস এবং টোগো। সেশেলস এখন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ইটিএ পদ্ধতি অনুসরণ করবে, আর টোগো’তে থাকছে ই-ভিসা নীতি।

২০২৫ সালে যেসব দেশে যেতে বাংলাদেশিদের ইটিএ প্রয়োজন হবে
ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন বা ইটিএ হচ্ছে ভ্রমণের ডিজিটাল ছাড়পত্র, যা সরাসরি পাসপোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এই অনুমতি ভ্রমণের আগে নিতে হয়, তবে প্রক্রিয়াটির জন্য দূতাবাসে সশরীরে না যেয়ে অনলাইন থেকেই করে নেওয়া যায়। ইটিএ প্রদানকারী প্রত্যেকটি দেশের অভিবাসন ওয়েবসাইটে এই ইলেক্ট্রনিক পরিষেবাটি রয়েছে।

২০২৫-এ ৩টি দেশে ভ্রমণকালে এই ছাড়পত্র পাওয়া যাবে।

দেশগুলো হলো:

শ্রীলঙ্কা
কেনিয়া
সেশেলস
বিগত বছরের অন-অ্যারাইভাল তালিকায় থাকা সেশেলস এ বছর যুক্ত হয়েছে ইটিএ ক্যাটাগরিতে।

হেনলি ইন্ডেক্স অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভিসা-অব্যহতি, অন-অ্যারাইভাল ও ইটিএ- এই তিন ভিসা-নীতিকে এক সঙ্গে ভিসামুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই নিরীখে চলতি বছর বাংলাদেশের জন্য ভিসামুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা সর্বমোট ৪০ যা গত বছরে ছিল ৪২। এই পরিবর্তনের কারণে হেনলি ইন্ডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭ থেকে নেমে এসেছে ১০০তে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন মাত্রায় পৌঁছেছিল। তারপর থেকে একটানা তিন বছর ক্রমশ উন্নয়নের পর আবারও নিম্নগামী হলো বাংলাদেশি পাসপোর্টের মান।

এ বছরে যে দেশগুলো বাংলাদেশিদের ই-ভিসার সুবিধা দিচ্ছে
ইটিএ এবং ইলেক্ট্রনিক বা ই-ভিসা উভয়ের সঙ্গেই অনলাইন পদ্ধতির সম্পৃক্ততা থাকলেও দুয়ের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। ই-ভিসা মূলত পড়াশোনা, চাকরি বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে দীর্ঘ দিনের জন্য বিদেশ গমনের নিমিত্তে করা হয়ে থাকে। অপরদিকে, ইটিএ-এর মূল উদ্দেশ্য থাকে পর্যটন বা ট্রাঞ্জিট; তথা স্বল্প সময়ের জন্য গন্তব্যের দেশটিতে থাকা।

ডিজিটাল পদ্ধতির পরেও ই-ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াতে প্রায় ক্ষেত্রে সহায়ক নথির প্রয়োজনীয়তা থাকায় প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়। অন্যদিকে, ইটিএ-এর জন্য খুব বেশি নথির বাধ্যবাধকতা নেই, যার কারণে প্রক্রিয়া বেশ দ্রুত এবং সহজ হয়।

এ বছর যে দেশগুলোতে যেতে বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের ই-ভিসা করতে হবে, সেগুলো হলো-

আলবেনিয়া
অ্যান্টিগুয়া এবং বারবুডা
আজারবাইজান
বাহরাইন
বেনিন
বতসোয়ানা
ক্যামেরুন
কলম্বিয়া
নিরক্ষীয় গিনি
গিনি
ইথিওপিয়া
গ্যাবন
জর্জিয়া
কাজাখস্তান
কিরগিজস্তান
মালয়েশিয়া
মলদোভা
মায়ানমার
ওমান
পাকিস্তান
কাতার
সাও টোমে এবং প্রিন্সিপে
সুরিনাম
সিরিয়া
তাজিকিস্তান
তানজানিয়া
থাইল্যান্ড
টোগো
তুর্কি
উগান্ডা
উজবেকিস্তান
ভিয়েতনাম
জাম্বিয়া
জিম্বাবুয়ে

২০২৪-এর তালিকা থেকে লেসোথো বাদ যাওয়ায় ২০২৫-এ বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য সম্পূর্ণভাবে ভিসামুক্ত দেশগুলোর সংখ্যা ২২ থেকে কমে ২১ হয়েছে। বর্তমানে ইটিএ পদ্ধতি অবলম্বন করা সেশেলস বিগত বছর ছিল অন-অ্যারাইভাল তালিকায়। একই তালিকাভূক্ত টোগো এবার থেকে অনুসরণ করছে ই-ভিসা পদ্ধতি। তাই ১৮ থেকে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা দেওয়া দেশের সংখ্যা কমে দাড়িয়েছে ১৬। একই কারণে গতবারের ২টি থেকে বেড়ে বর্তমানে ৩টি দেশে রয়েছে ইটিএ ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে ২০২৫-এ মোট ৪০টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারবেন বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা।
উপরন্তু, বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকার সুবাদে এই বছরে মোট ৩৪টি দেশ থেকে ই-ভিসার সুবিধা থাকছে।

আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সরকারি পাসপোর্টধারীদের ই-ভিসা দেবে থাইল্যান্ড।সাধারণ নাগরিকদের আগামী ২ জানুয়ারি থেকে ই...
16/12/2024

আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সরকারি পাসপোর্টধারীদের ই-ভিসা দেবে থাইল্যান্ড।
সাধারণ নাগরিকদের আগামী ২ জানুয়ারি থেকে ই-ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে থাইল্যান্ড সরকার।
সোমবার ঢাকার থাইল্যান্ড দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীরা অনলাইনে আবেদন করে থাইল্যান্ডের ভিসা নিতে পারবে।
আবেদনের ১০ দিনের মধ্যে ভিসা ই-মেইলে পাঠানো হবে।
আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকার থাইল্যান্ড ভিসা সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ই-ভিসা সুবিধা থাইল্যান্ড কর্তৃক ইতোমধ্যে তাদের ৬৯টি দূতাবাসে চালু করা হয়েছে।

🇪🇺 ইউরোপের জন্য যা কখনো করবেন না:- ১. লোন করে বা সুদের উপরে টাকা নিয়ে এডভান্স করবেন না।২. যথাযথ ভিসা না হওয়া পর্যন্ত কর্...
12/12/2024

🇪🇺 ইউরোপের জন্য যা কখনো করবেন না:-
১. লোন করে বা সুদের উপরে টাকা নিয়ে এডভান্স করবেন না।
২. যথাযথ ভিসা না হওয়া পর্যন্ত কর্ম/চাকরি ছেড়ে দিবেন না ।
৩. এজেন্সী যে সময় দিবে তার থেকে কিছু দিন কম বেশি লাগতে পারে। ধৈর্য না থাকলে ফাইল জমা দিবেন না।
৪. ভিসা পাবার আগে পুরো টাকা দিবেন না। ভিসা না হলে এডভান্স টাকা কি করনীয় তা না জেনে টাকা দিবেন না।
৫. সাগর পথে গেইম দিবেন না ।
৬. বাংলাদেশ থেকে গেইম দিয়ে এশিয়ার কোন দেশে গিয়ে ইউরোপে গেইম দিবেন না।
৭. দ্রুত ভিসা লাগবে বা ভিসা না হলে জীবন শেষ, এমন পরিস্থিতি থাকলে ইউরোপ এপ্লাই করবেন না।
৮. যে দেশ গুলোর ভিসা প্রসেসিং কঠিন সেই দেশের জন্য আবেদন করবেন না ।
৯. বেশি লোভ করবেন না।
১০. পরিবারের একান্ত আদর-যত্নের মানুষ হয়ে থাকলে, না ভেবে ফাইল জমা করবেন না। ভিসা পাওয়ার আগ পর্যন্ত ইউরোপ যাচ্ছেন বলে এলাকায় বলে বেড়াবেন না।
১১. যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কাজ-কর্ম করতে প্রস্তুত না থাকলে আবেদন করবেন না।
১২. ইউরোপ এসে ২-৪ মাস কাজ না পেলে জীবনযাপনের ব্যবস্থা না থাকলে আসবেন না।
১৩. পরিবার ছেড়ে দূরে এসে কষ্টের কাজ করার ইচ্ছা না থাকলে আসবেন না।
১৪. পরিবারের দামি সব সম্পদ বিক্রি করে আসবেন না।
১৫. নিজের, পরিবারের বা দেশের ঝুঁকি হয় এমন কিছু করে ইউরোপ আসবেন না।
১৬. এজেন্ট//এজেন্সি সম্পর্কে ভালো মত না জেনে ফাইল জমা দিবেন না। আর জমা দিলে যেভাবে বলবে মেনে নিবেন, তাদের মত কাজ করতে দিবেন।
১৭. ডিপ্রেশন/ টেনশন/হায়-হুতাশ করলে ইউরোপের জন্য জমা না দিয়ে মিডলইস্টে চলে যাবেন।
১৮. একসাথে একাধিক এজেন্সীতে ফাইল জমা দিবেন না।
১৯. ফাইল জমা দিয়ে ইউরোপ কনফার্ম আসতেছেন এমন কিছু সবাইকে বলবেন না। ভিসা না পেলে বেশি কষ্ট পাবেন।
২০. আপনার এজেন্সীকে সময়-সুযোগ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় সময় নিয়ে বুঝে শুনে প্রসেস সম্পন্ন করুন।

- সবার মঙ্গল হোক।

11/12/2024

ঢাকাস্থ সুইডিশ দূতাবাস এবং ভিএফএস গ্লোবাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট।

১০ ডিসেম্বর, ২০২৪ থেকে, ভি এফ এস (VFS) গ্লোবাল, ঢাকায় সুইডিশ দূতাবাসের সহযোগিতায়, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া বা সুইডেনে যাওয়ার জন্য শেনজেন ভিসা আবেদনের জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু হয়েছে।

অনুগ্রহ করে লক্ষ্য করুন : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ থেকে কার্যকর, সকল আবেদনকারীদের অবশ্যই ঢাকায় ভি এফ এস (VFS) গ্লোবাল সুইডেনের সাথে শেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে আগাম একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। ওয়াক-ইন আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না। অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটটি আপনার ব্যক্তিগত এবং আপনার নিজেকেই বুক করতে হবে।

আপনি যখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন তখন ভি এফ এস (VFS) গ্লোবাল, দ্বারা একটি পরিষেবা ফি চার্জ করা হবে। আপনি যদি অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য উপস্থিত না হন বা আপনার নির্ধারিত সময়ের স্লটের ২৪ ঘন্টা আগে আপনি এটি বাতিল করেন তবে ফি ফেরত দেওয়া হবে না।

আপনার ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য যদি বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া বা সুইডেন ভ্রমণ করা হয় তাহলে অনুগ্রহ করে শুধুমাত্র ঢাকায় ভি এফ এস (VFS) গ্লোবাল সুইডেনের সাথে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন।

অনুসন্ধানের জন্য অনুগ্রহ করে ভিএফএস হেল্পডেস্কে যোগাযোগ করুন (+88) 09606 777 333 বা (+88) 09666 911 382 (সর্বজনীন ছুটি ছাড়া রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার 09:00 থেকে 17:00 পর্যন্ত)। এছাড়াও আপনি https://vfsforms.mioot.com/forms/CFNC/ -এ তাদের যোগাযোগ ফর্মের মাধ্যমে VFS Global-এ পৌছাতে পারেন।

০৫ই আগষ্ট, ২০২৪ এর পরে দেশের অনেক প্রতিষ্ঠানে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে। তবে এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশনে আমুল পরিবর্তন হয়েছে।নত...
25/11/2024

০৫ই আগষ্ট, ২০২৪ এর পরে দেশের অনেক প্রতিষ্ঠানে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে। তবে এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশনে আমুল পরিবর্তন হয়েছে।
নতুন ট্রাভেলার হয়ে, যদি শ্রীলঙ্কা - নেপালের মত দেশেও যান, ইমিগ্রেশনে আপনাকে যথেষ্ট প্রশ্নের সমুক্ষীন হতে হবে।

* আপনার রিটার্ন টিকিট
* হোটেল বুকিং
* প্রফেশন ডকুমেন্টস
* ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- ইত্যাদি সাথে রাখুন।

★ সম্ভব হলে একটা ট্রাভেল আইটেনারি প্রিন্ট করে নিন।

★ ঠান্ডা মাথায় ইমিগ্রেশন অফিসার কে হ্যান্ডেল করুন।
★ ভদ্রতার সাথে তাদের প্রশ্নের জবাব দিন।

# পাসপোর্ট এ ট্রাভেল হিস্ট্ররি বাড়াতে চাইলে কি কি করতে হবে:

জানতে হবেঃ-
একটি দেশে যখন আপনি ভ্রমণ ভিসায় যাবেন সেখানে কতদিন আপনি অবস্থান করবেন বা কতদিন আপনাকে থাকতে হবে।

বিশেষ করে আমরা যারা গ্রুপ টুরে যাই ,সে ক্ষেত্রে আমরা কিছু ভুল করে থাকি। এই ভুল গুলো দিকে একটু নজর দিবেন তাহলে আমরা গ্রুপ টুর এ গিয়ে যেই টাকা গুলো খরচ করছি তা কিছুটা হলেও কাজে লাগবে আপনার ট্রাভেল হিস্টরি তৈরি করতে বা বাড়াতে ।
অনেকই আছে আমরা ট্রাভেল হিস্টরি তৈরি করার জন্য থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম,কম্ভোডিয়া, লাউস, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ,শ্রীলঙ্কা, দুবাই, জাপান, চীন, তুরস্ক ইত্যাদি দেশ গুলো তে আমরা যাচ্ছি আমাদের পাসপোর্টে ট্রাভেল হিস্টিরি মজবুত করতে।
★সেজন্য যেখানেই ট্রাভেল এ যান না কেন নূন্যতম ৭২ ঘন্টা অবস্থান করতে হবে। ৭২ ঘন্টা থাকলে সেই ট্রাভেল হিস্টিরি স্ট্রং হয়।

★আপনি একটি দেশে আজকে গেলে কালকে ফিরে আসলেন এটি আসলে ট্রাভেল হিস্টরি মধ্যে পরে না। কিছু কিছু দেশ আছে সেখানে আপনাকে দেখাতে হবে যে আপনি আগে যেই দেশে ঘুরতে গিয়েছিলেন সেখানে আপনি কত দিন ছিলেন মানে আপনার পাসপোর্ট এ যে সিল আছে এগুলোর স্কেন কপি দেখাতে হয় এবং লিখে দিতে হবে আপনি কত তারিখ গিয়েছেন, কত দিন ছিলেন, কত তারিখ এ বের হয়েছেন।
আমরা কম খরচে প্যাকেজ ট্যুর খুঁজি কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে আমাদের ট্রাভেল হিস্টরি কখন মজবুত হবে কত দিন থাকতে হবে।

আমরা মনে করি আমারা একটা দেশে প্রবেশ করলাম বের হয়ে গেলাম পাসপোর্ট এ দুইটা সিল পরলো এতে ট্রাভেল হিস্টিরি তৈরি হয়ে গেলে এটা আমাদের একদম ভুল ধারনা এটা ট্রাভেল হিস্টিরির কাতারে পরে না।

এখন বলছি আপনি কি করে আপনার ট্রাভেল হিস্টিরি তৈরি করবেন থাইল্যান্ড,কম্ভডিয়া,লাউস, ভিয়েতনাম এই চারটি দেশ আপনি একসাথে ঘুরে আসতে পারেন অথবা থাইল্যান্ডে, কম্বোডিয়া,লাউস এই তিনটি দেশ এক সাথে ঘুরে আসতে পারেন কিন্তু অবশ্যই প্রতিটি দেশে তিন রাত করে অবস্থান করতে হবে।

আরেকটি আছে ফিলিপাইন , সিংঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এর সাথে ইন্দোনেশিয়া রাখতে পারেন, আর যদি না যেতে চান তাহলে ইন্দোনেশিয়া স্কিপ করতে পারেন কিন্তু যেই দেশে যান ট্রাভেল হিস্টিরি স্ট্রং করার জন্য তিন দিন অবশ্যই থাকতে হবে।

★আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা এক সাথে তিনটি দেশ ঘুরে আসার পর পরবর্তী ট্যুর কিছু দিন সময় নিয়ে পরবর্তী ট্যুর প্ল্যান করা , তা হতে পারে দুই তিন মাস পর পর ।

★আর আমরা যদি সিঙ্গেল ভাবে ট্যুর প্ল্যান করি সেই ক্ষেত্রে ও আমরা একটি বিষয় খেয়াল রাখবো যে একটি ট্যুরের পর পরবর্তী ট্যুরের গ্যাপ যাতে দুই তিন মাস পর পর হয় তাহলে আমাদের স্ট্রং ট্রাভেল হিস্টরি ক্রিয়েট হবে।

-সবার স্বদিচ্ছা পূরণ হোক।

অনেকের কাছেই আমরা শুনে থাকি, আমেরিকায় যাওয়া খুবই কঠিন, এমনকি সহজে ভিসা পাওয়া যায় না! 🤔👉 আসলে বাস্তবতা হলো আমেরিকার ৫ (পা...
24/11/2024

অনেকের কাছেই আমরা শুনে থাকি, আমেরিকায় যাওয়া খুবই কঠিন, এমনকি সহজে ভিসা পাওয়া যায় না! 🤔

👉 আসলে বাস্তবতা হলো আমেরিকার ৫ (পাঁচ) বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা (B1-B2) বাংলাদেশ থেকে পাওয়া খুবই সহজ, যদি আপনি সঠিক পন্থায় এবং সঠিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করেন! 🇺🇸🇺🇸🇺🇸

✨ আমরা অনেকেই আমেরিকার ভিসার জন্য আবেদন করতে ভয় পাই, কারণ আমরা মনে করে থাকি অন্য সব উন্নত দেশগুলোর মতো ট্যুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এর সময় অনেক ডকুমেন্টস সাবমিট করতে হয়, পূর্বেই বায়োমেট্রিক্স নেয়া হয় এবং পরে ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে ভিসা ইস্যু অথবা রিফিউস করা হয়।

কিন্তু আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসার (B1-B2) ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি সম্পূর্ণই ভিন্ন এবং সহজ!👍
এই ভিসা পাওয়ার জন্য অনেক বেশী কাগজপত্র দরকার নেই! এমনকি আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা এসেট ভ্যালুয়েশনও চাইবে না!
এছাড়া আপনার যদি একাধিক দেশ ভিজিট করা থাকে তাহলে সেটা নিঃস্বন্দেহে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে বিভিন্ন দেশ ভিজিট করা থাকলেই আপনি আমেরিকার ভিসা পেয়ে যাবেন। 🇺🇸 🗽

✅ আপনার যদি সঠিক কৌশল জানা থাকে তাহলে সাদা পাসপোর্টেও সহজেই আপনি আমেরিকার ভিসা পেতে পারেন!🇺🇸💖

🗽 আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসার প্রথম দুইটি ধাপ হলোঃ
১। সিজিআই প্রোফাইল তৈরি করা।
২। ভিসা ফি এর রিসিপ্ট প্রিন্ট আউট করে ইস্টার্ন ব্যাংকের (EBL) যে কোনো ব্রাঞ্চে অফলাইনে জমা দেওয়া |আর আপনার যদি (EBL) ব্যাংকে একাউন্ট থাকে তাহলে (EBL) ব্যাংকের APP-এর মাধ্যমে অনলাইন-এ ভিসা ফি জমা দিতে পারবেন।

✨ বর্তমানে জনপ্রতি ভিসা ফি হচ্ছে $১৮৫ ডলার যা বর্তমান বাজারের ডলার মূল্য অনুযায়ী হচ্ছে ২১,০৯০ টাকা। 💵

✅ আমেরিকান মাল্টিপল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা বাংলাদেশ থেকে সাধারণত ৫ বছরের জন্য দেওয়া হয় এবং এই ভিসাটি মূলতো ২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।
✨ প্রথমত : DS-160: Online Nonimmigrant এপ্লিকেশন ফর্ম এর উপর।
✨ দ্বিতীয়ত : ভিসা অফিসারের সাথে একটি শর্ট ইন্টারভিউ এর উপর।

✅ DS -160 ফর্ম কেন গুরুত্বপূর্ণ ?
- যেহেতু আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসা ব্যক্তিগত তথ্য ও ইন্টারভিউ ভিত্তিক, তাই DS-160 ফর্মে সকল ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য নির্ভুল ও সঠিকভাবে প্রদান করতে হয়। একটা বিষয় মনে রাখবেন, সঠিকভাবে DS-160 এপ্লিকেশন ফর্মটি পূরণ করলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা ৭০% নিশ্চিত হয়ে যাবে।

✅ ভিসা অফিসারের সাথে ইন্টারভিউ কেমন হবে?
- ভিসা অফিসারদের বেশিরভাগ প্রশ্ন আপনাদের দেওয়া DS-160 ফর্ম এর উপর ভিত্তি করেই হয়ে থাকে। ইন্টারভিউয়ের উপর মূলত বাকী ৩০% সম্ভবনা নির্ভর করে। এছাড়া সাক্ষাৎকারের সময়কাল মূলত ২-৩ মিনিটের হয়ে থাকে (কারো কারো ক্ষেত্রে ৫-১০ মিনিট পর্যন্ত দীর্ঘ হয়)। এই অল্প সময়ে ভিসা অফিসারগণ মূলত আপনাদের সাইকোলজিকালি পরীক্ষা করে। আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, বাচনভঙ্গি, ড্রেস আপ থেকে শুরু করে আপনি কিভাবে কনসুলার অফিসারদের প্রতিটি প্রশ্নের সু-ব্যাখ্যা সংক্ষেপে দিতে পারছেন সবকিছুর উপর বিবেচনা করে তারা তাৎক্ষণিকভাবে একটি সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়াও আপনি কেন আমেরিকা যাবেন তার সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে হবে। ইন্টারভিউ এর সময় ভিসা অফিসারদের বুঝাতে হবে যে, আপনার আমেরিকা যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকায় যাবেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে আসবেন, তাহলেই আপনার ভিসা হবে।

✅ তাই, আপনি যখন আমেরিকার ট্যুরিস্ট ভিসার (B1+B2) জন্য আবেদন করবেন, তখন অবশ্যই আপনার DS-160 ফর্মটি কোন দক্ষ এবং অভিজ্ঞ হাতে পূরণ করতে হবে। কেননা, DS-160 ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করতে না পারলে এটি শুধুমাত্র আপনার রিফিউজ এর কারণই হবেনা, বরং পরবর্তীতে আবেদন করার সময়েও জটিলতা সৃষ্টি করবে।

* *কিছু সমমনা বন্ধুদের সমন্বয়ে একটি গ্রুপ ট্যুর হবে আসছে জানুয়ারিতে,২০২৫।★ফিলিপাইন★ইন্দোনেশিয়া★মালয়েশিয়া- ভ্রমনপিপাসুদের...
20/11/2024

* *কিছু সমমনা বন্ধুদের সমন্বয়ে একটি গ্রুপ ট্যুর হবে আসছে জানুয়ারিতে,২০২৫।

★ফিলিপাইন
★ইন্দোনেশিয়া
★মালয়েশিয়া
- ভ্রমনপিপাসুদের নিয়ে ভ্রমন করার উদ্দেশ্যে আসছে বছর আমরা উড়াল দেবো ইনশাআল্লাহ, যা সম্পূর্ণ অলাভজনক কোন প্রকার ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যহীন**

#গ্রুপ ট্যুর অথবা গ্রুপ ভিসা
দুইটাই লাভ জনক ও সুবিধাজনক #

★📍 ভিসা ও ট্যুর প্যাকেজ*
(ইন্দোনেশিয়া + ফিলিপাইন + মালয়েশিয়া)

যারা ভিসা করতে অথবা ট্যুরে জয়েন করতে আগ্রহী, তারা পাসপোর্টের কপি পাঠিয়ে ইনভাইটেশন ও অ্যাপয়েনমেন্ট নিশ্চিত করতে পারেন।

💥বিস্তারিত জানতে-
IKRAM CHOWDHORY
(Owner)
*AL IKRAM OVERSEAS*
*AL IKRAM HOLIDAYS*
Mob : 01876515185

💥ট্যুর সমন্বয়ক সবার সুপরিচিত
MD RAFIQUL HASAN SUMON
(Owner)
JARIF OVERSEAS (RL -1972) JSK TORUS AND TRAVELS
MOB : 01918022750

কমদামে বিমানের টিকিট কেনার ৭টি টিপস১. মঙ্গলবার এবং বুধবার বুক করুনমঙ্গলবার এবং বুধবার হল বিমান টিকিট কেনার সেরা দিনগুলির...
09/11/2024

কমদামে বিমানের টিকিট কেনার ৭টি টিপস

১. মঙ্গলবার এবং বুধবার বুক করুন

মঙ্গলবার এবং বুধবার হল বিমান টিকিট কেনার সেরা দিনগুলির মধ্যে একটি।
বেশিরভাগ এয়ারলাইনস সাধারণত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:০০ টায় তাদের বুকিং

সিস্টেম আপডেট করে।
কারণ এয়ারলাইনস জানে যে বেশিরভাগ যাত্রী শুধুমাত্র সপ্তাহের দিনগুলোতে টিকিট বুক করার সময় পান।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রমাণিত হয়েছে, আমাদের বেশিরভাগই সাধারণত শুক্রবার, শনিবার কিংবা রবিবার টিকিটের দাম দেখেন।

২. আগে বুক করুন, তবে খুব বেশি আগে নয়

অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, ভ্রমণের তারিখের কমপক্ষে ২১ দিন আগে টিকিট বুক করা উচিত। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস তাদের সিস্টেমগুলো এমনভাবে সেট করেছে যাতে যত বেশি সম্ভব টিকিট বিক্রি করতে পারে। তাই, সিস্টেমের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কোটা থাকে কমদামে টিকিটের জন্য।
উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা থেকে লন্ডনের ফ্লাইটের জন্য সিস্টেমে নির্ধারণ করা হয় যে প্রথম ২০ জন যাত্রী সবচেয়ে কম দাম পাবেন। পরবর্তী ২০০ জন মাঝারি দাম পাবেন, এবং বাকিরা সম্ভবত আরও বেশি মূল্য দিতে হতে পারে।
সংক্ষেপে, এয়ারলাইন্সের সিস্টেম ঢাকা থেকে লন্ডন যাওয়ার সময় তারা যে মার্জিন চায় তার উপর ভিত্তি করে টিকিটের দাম নির্ধারণ করবে।

৩. উড়ার জন্য উপযুক্ত দিন

মঙ্গলবার বা বুধবার উড়ার জন্য টিকিট বুক করার চেষ্টা করুন। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস এই দুই দিনকে ‘কম ব্যস্ত দিন’ হিসেবে নির্ধারণ করে বুকিং সিস্টেমের জন্য। এয়ারপোর্টও সাধারণত এই দুই দিন অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ব্যস্ত থাকে, বিশেষ করে শুক্রবার এবং রবিবার যখন বুকিং সিস্টেম এবং এয়ারপোর্ট অনেক ব্যস্ত হয়ে ওঠে।

৪. আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য 'বেস্ট ডিল' খুঁজুন

বেশিরভাগ এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রায় ১১ থেকে ১২ সপ্তাহ আগে 'বেস্ট ডিল' অফার করে। তাই, এই সময়ের মধ্যে নিয়মিত টিকিটের দাম পরীক্ষা করুন।

৫. ছোট এয়ারপোর্ট বেছে নিন

এই পদ্ধতি চেষ্টা করতে পারেন, যা হল প্রধান এয়ারপোর্টে না নেমে গন্তব্যের কাছাকাছি একটি ছোট এয়ারপোর্টে নামা। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি লন্ডনে যেতে চান, অনেকেই সাধারণত হিথ্রোতে নামেন। পরের বার, হিথ্রোতে না নেমে, হিথ্রোর কাছাকাছি একটি ছোট এয়ারপোর্ট যেমন ম্যানচেস্টারের এয়ারপোর্টে নামার চেষ্টা করুন। তারপর ম্যানচেস্টার থেকে আপনি ট্রেনে করে লন্ডনে যেতে পারেন। এই পদ্ধতি চেষ্টা করুন।

৬. 'কুকিজ' ক্লিয়ার করুন

অনেকে এটা জানেন না। যদি আপনি ৩০ দিনের মধ্যে এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইটে গিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং পিসি থেকে কুকিজ ক্লিয়ার করুন।
কারণ এই কুকিজের মাধ্যমে এয়ারলাইনসের বুকিং সিস্টেম মনে করবে যে আপনি বারবার তাদের ওয়েবসাইট দেখেছেন।
তাই, বুকিং সিস্টেম একই দাম দেখাবে এমনকি যদি আপনি বহুবার ওয়েবসাইটে যান, কখনও কখনও দাম বাড়তেও পারে!
তাই, আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজারের কুকিজ ক্লিয়ার করার অভ্যাস তৈরি করুন।
আপনি যদি জানেন না কিভাবে তা মুছতে হয়, তাহলে গুগলকে জিজ্ঞাসা করুন!

# # দাম যাচাই করুন
1. Skyscanner
2. CheapFlight
3. Momondo
4. Kayak
5. Google Flight
6. Ita Software

24/08/2024

Hard work is the key to success💪✌️

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম🥳
17/06/2024

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম🥳

মুক্তির জন্য যুদ্ধ করে বাঙালিরা ভিনদেশীদের থেকে মুক্তি  পেলেও,নিজের কুজাত থেকে নিস্তার পায়নি, আধুনিক নিত্যনতুন পন্থায় রক...
02/06/2024

মুক্তির জন্য যুদ্ধ করে বাঙালিরা ভিনদেশীদের থেকে মুক্তি পেলেও,নিজের কুজাত থেকে নিস্তার পায়নি, আধুনিক নিত্যনতুন পন্থায় রক্তচোষার দল চেটে যাচ্ছে।

02/06/2024

I gained 5 followers, created 17 posts and received 20 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

বাংলাদেশের পাসপোর্টের মান কমছে না কি বাড়ছে ? একটু পড়াশুনা করে পরিসংখ্যান পেলে আরো ভাল একটা উত্তর দেয়া যেত। যেমন -৭০ এর দ...
02/06/2024

বাংলাদেশের পাসপোর্টের মান কমছে না কি বাড়ছে ? একটু পড়াশুনা করে পরিসংখ্যান পেলে আরো ভাল একটা উত্তর দেয়া যেত। যেমন -
৭০ এর দশকে একজন বাংলাদেশের পাসপোর্টধারি ব্যাক্তি কতগুলো দেশে বিনা (অন এরাইভেল) ভিসাতে যেতে পারতো?
৮০র দশকে ?
৯০র দশকে ?
২০০০ এর পর ?
অন্যান্য দেশের সাথে তুলনায় আমরা কি এগুচ্ছি নাকি পিছাচ্ছি?

প্রথমেই বর্তমান অবস্থাটা বলছি। henleyglobal এ একটা র‍্যাঙ্কিং দেয়। ২০২৪ সালের র‍্যাঙ্কিং এ দেখলাম বাংলাদেশের পজিশন ৯৮তম।

পৃথিবীতে ১৯৩ টা দেশের মধ্যে ৯৮ তম তো ভাল হবার কথা। কিন্তু কাহিনি সেটা না। একই র‍্যাঙ্কিং এ অনেকগুলো দেশ আছে।

যেমন ১ নম্বর র‍্যাঙ্কিং এ আছে ৬ টি দেশ- জাপান, সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি এবং স্পেন। এভাবে হিসাব করে গিয়ে দেখি র‍্যাঙ্কিং আছে মাত্র ১০৬টি। ১০৬ নম্বর পজিশনটি ধরে আছে আফগানিস্তান। আমাদের পেছনে দেশ আছে মাত্র ৯টি।

বাংলাদেশের সাথে একই র‍্যাঙ্কিং এ (৯৮তম) আছে নর্থ কোরিয়া।
বলে কি? শেষতক নর্থ কোরিয়ার কাতারে?

কপালের চামড়া আরো কুঁচকালো যখন দেখি ইথিওপিয়া আছে ৯৩ এ আর উগান্ডা আছে ৭৩ এ। উগান্ডার পর ৫৬ টি দেশ আছে। তারপর আমাদের অবস্থান।

৮০ র দশকে জাপানে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা অন-এরাইভাল ভিসায় জাপানে আসতে পারতো। ৯০র দশকে আমি থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, হংকং, কোরিয়া; ২০১০ এ মালয়েশিয়া; ২০১৮ তে ইন্দোনেশিয়া গিয়েছি বিনা ভিসায়। আমার চোখের সামনেই এই দেশ গুলো বাংলাদেশি পাসপোর্টধারিদের জন্য তাঁদের দরজায় তালা দিয়েছে।

জ্বি ভাই পাসপোর্টের মান কমছে।

ইন্দোনেশিয়াতে ৭২ টি দেশের জন্য তাঁদের দরজা খোলা। বাংলাদেশ সেই লিস্টে নেই। আমার প্রিয় সবুজ পাসপোর্ট খানা দিয়ে এযাবৎ ৫০টির ও বেশি দেশ ভ্রমণ করেছি।

আজ আমার ইন্দোনেশিয়াতে থাকার কথা ছিল। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে। বিমানের টিকেট পাঠিয়েও দিয়েছিল।জীবনে এই প্রথম ভিসা জনিত ঝামেলার কারণে কনফারেন্সটিতে অনলাইনে বক্তৃতা দিতে হল।

আমার সবজান্তা বন্ধুকে ঘটনাটা বললাম। সে ক্ষেপে গেল। তুই ৩৫ বছর ধরে জাপানে আছিস। ৫ বছর জাপানে থাকলেই তো জাপানি পাসপোর্ট দেয়। সবাই তো নিচ্ছে। তুই নিচ্ছিস না ক্যান?
আপনিও এই প্রশ্নটি করবেন না প্লিজ।
তথ্য সূত্রঃ

The Henley Passport Index ranks the strongest and weakest passports globally. Research is conducted by our research department. Explore our ranking.

29/05/2024

Address

70/B/Fatema Vila (2nd Floor) Purana Paltan Lane, Bijoy Nagar Mor, Kakrail
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801918022750

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jarif Overseas BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jarif Overseas BD:

Videos

Share